একদিকে কমিটি নেই ১৮ বছর। আবার নেই কোনো মূল্যায়ন। তারপরও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিউইয়র্ক সফর ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি নেতাকর্মীদের মাঝে তৈরি হয়েছিল বিপুল উদ্দীপনা। সেজন্য দলীয় প্রধানকে একনজর দেখা করার আকুলতা আর শুভেচ্ছা জানাতে অনেকেই ছুটে এসেছিলেন নিউইয়র্কে।
যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির হাজারো নেতাকর্মীর চোখ ছিল হোটেল গ্র্যান্ড হায়াতের লবিতে। তবে আকুলতা আর দীর্ঘ প্রতীক্ষা—সবই রূপ নিলো চরম ক্ষোভ আর হতাশায়। প্রবাসজীবনে শত ব্যস্ততার ফাঁকে প্রচুর টাকা খরচ করে বিভিন্ন স্টেট থেকে নিউইয়র্কে এসেছিলেন তারেক রহমানকে দেখা করে একটি ছবি তোলার জন্য। কিন্তু শেষ মুহূর্তে চরম বিশৃঙ্খলা ও আয়োজকদের অব্যবস্থাপনার কারণে মাত্র হাতেগোনা ও শীর্ষ কয়েকজন সাক্ষাৎ পেলেও যুক্তরাষ্ট্রের অসংখ্য ত্যাগী নেতাকর্মীই প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাত পাননি।
ফলে দূর-দূরান্ত থেকে আসা শত শত নেতাকর্মী ক্ষোভে ফেটে পড়েন। বহু প্রতীক্ষিত এই সাক্ষাতের অন্তিমে বিমর্ষতা আর ক্ষোভের ছায়াই ফুটে উঠেছে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির তৃণমূলের চোখে-মুখে। দীর্ঘ বিশ বছর পর নিউইয়র্কে এসেও দলীয় প্রধানকে না দেখার আক্ষেপ নিয়েই ফিরে যেতে হয়েছে নেতাকর্মীদের।
এদিকে নেতাকর্মীদের স্লোগান এবং হইচই শুনে হোটেলের চারপাশে নিউইয়র্ক সিটি পুলিশ ও সিক্রেট সার্ভিসের সদস্যরা নিরাপত্তা বলয় তৈরি করে। প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানের অব্যবস্থাপনার জন্য একজন আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও সহসম্পাদকসহ কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতাকে দায়ী করেন বিভিন্ন স্টেট বিএনপির নেতারা। তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ সফরের সময় আয়োজক কমিটির আরও সুশৃঙ্খল ও দায়িত্বশীল হওয়া উচিত ছিল। প্রিয় নেতার সাক্ষাৎ না পেয়ে শেষ পর্যন্ত ক্ষুব্ধ ও বিষণ্ণ মনেই হোটেল ত্যাগ করতে হয় দূর-দূরান্ত থেকে আসা সাধারণ নেতাকর্মীদের।








মন্তব্য